ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ হিসেবে পুনর্নামকরণ এ দপ্তরের সঙ্গে ওপেনএআইয়ের অংশীদারত্বের খবরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। খবর টেকক্রাঞ্চ।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্সর টাওয়ারের তথ্যমতে, দেশটিতে গত শনিবার মাত্র এক দিনের ব্যবধানে চ্যাটজিপিটি অ্যাপ আনইনস্টল করার হার ২৯৫ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে গত ৩০ দিনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে অ্যাপটি মুছে ফেলার স্বাভাবিক হার ছিল ৯ শতাংশ।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের আশঙ্কায় ব্যবহারকারীদের মধ্যে এ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্রতিরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে চুক্তির সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার পর পরই লাখ লাখ ব্যবহারকারী তাদের ব্যক্তিগত ডাটা ও নৈতিক অবস্থান থেকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার বন্ধের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অবশ্য ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান জানান, পেন্টাগনের সঙ্গে এ চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে প্রতিষ্ঠানটির আরো সময় নেয়া উচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে অল্টম্যান জানান, ওপেনএআই পেন্টাগনের সঙ্গে তাদের চুক্তির শর্তগুলো পুনরায় সংশোধন করেছে। তিনি দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানের মূল আদর্শ বা নীতিমালা যাতে কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন না হয়, তা নিশ্চিত করেই এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে চুক্তিতে রাজি না হওয়ার ঘোষণার পর থেকেই অ্যানথ্রোপিকের চ্যাটবট ‘ক্লড’ ডাউনলোডের হার হু হু করে বাড়ছে।
বাজার গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি একদিনেই অ্যাপটির ডাউনলোড বেড়েছে ৩৭ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ওপর নজরদারি চালানো এবং যুদ্ধক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র তৈরিতে এআইয়ের ব্যবহারের আশঙ্কায় তারা এ চুক্তিতে সায় দেয়নি।